ছোটবেলায় ফুলটুসির চোখে কনুই দিয়ে এক গোঁত্তা মেরে, পাঁচটা মার্বেল বাবলু ছিনিয়ে নিয়ে ছিল। ফুলটুসি হাওয়ায় আঙুল বুলিয়ে লিখেছিল “বাবলুর কান কেটে নেব”। রাগ, ব্যথা, দুঃখ মিলিয়ে গিয়েছিল।
বড়বেলাতেও কাড়াকাড়ি করেই কাটছে দিনরাত। রাগ-দুঃখ-ব্যথা, জীবনের যোগ-বিয়োগ – কিছুই টের পায় না সে।
মুখের মধ্যে আঙুল চালিয়ে আইসক্রিম লিখলেই পায় শীতল আনন্দ।
ফুলটুসি লেখে, কারণ :: সংহিতা
“কেন লিখি” এই বিষয়টি অনেকেরই খুব শক্ত লেগেছে। কেউ মনে করেছেন যে বিষয় বেঁধে দেওয়া মানে লেখকের স্বাধীনতাকে বেঁধে দেওয়া। কিন্তু থিম সংখ্যার একটা খুব ভাল দিক হল যে এতে লেখককে আলাদা করে ভাবনাচিন্তা করতে হয়, কলমকে কাজে লাগাতে হয় ঘাড় ধরে, লেখক পান নতুন সৃষ্টির অনুপ্রেরণা। আমার মনে হয়েছে যে “কেন লিখি” লেখকমাত্রেরই খুব কাছের জিনিস, এমন একটা বিষয় যা মনের গভীরে উঁকি দিলেই দেখা যাবে। তবে হ্যাঁ, উঁকিটা মন দিয়ে সময় নিয়ে দিতে হবে। কর্ণিকা’য় এবার অনেক বন্ধুরই লেখা নেই এই “শক্ত” বিষয়টি বাছার কারণে। আবার কিছু নতুন লেখককেও পাওয়া গিয়েছে। এবারের কর্ণিকা’য় যতগুলি লেখা আছে, তার প্রত্যেকটিতে লেখকের মনের ভিতর যে মন, তার খোঁজ পাওয়া যাবে বলে আমার ধারণা। আর মনকে মুক্তি দিতেই তো কলম ধরা। বাকিটা পাঠক বলবেন।